বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছেলে-মেয়ের বন্ধুত্ব, একসঙ্গে পড়াশোনা, আড্ডা কিংবা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ—এসবকে স্বাভাবিক সামাজিক মেলামেশার অংশ হিসেবেই দেখা উচিত। তবে বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান ও সীমারেখা নিয়ে দুজনের মূল্যবোধের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ।কেবল কোনো নারী বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মিশতেন বা আড্ডা দিতেন—এমন অতীতের ভিত্তিতে তার চরিত্র সম্পর্কে নেতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কিংবা বিয়ের পর সে কী করবে তা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। একইভাবে পুরুষের ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য।বিয়ের আগে তাই দুজনের জীবনযাপন, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, বন্ধুত্ব, সামাজিক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক প্রত্যাশা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা প্রয়োজন। মতের অমিল থাকলে বিয়ের পর তা নিয়ে সন্দেহ বা নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে পারস্পরিক সমঝোতার পথ খোঁজা উচিত।বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস, সম্মান, সততা ও যোগাযোগ। কারও অতীতের সামাজিক জীবন নয়, বরং বর্তমান আচরণ ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ভার্সিটির ফ্রি মি’ক্সিং আ’ড্ডা’য় অ’ভ্য’স্ত মেয়েকে বিয়ে করলে…see more