১৪ বছর কারাগারে অবশেষে যা প্রমাণ হলো…..see more

১৪টা বছর! একটা-দুটো দিন না, পুরো ১৪টা বছর একটা নির্দোষ মানুষকে বিনা বিচারে, কোনো প্রমাণ ছাড়াই জেলে আটকে রেখে পাগল বানিয়ে দেওয়া হলো…..!!🙂 এই লোকটি সাগর-রুনি যে বাসায় থাকতো, সেই বাসার কেয়ারটেকার/দারোয়ান ছিলো। নাম তার এনামুল হক।ঘটনার পর পরই পুলিশ, ডিবি, র‍্যাব কে না তাকে রিমান্ডে নিয়ে টানাটানি করছে? কিন্তু কোনো ক্লু পায় নাই। পাবে কেমনে? যে মানুষটা নির্দোষ, তার কাছ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি ছাড়া আর কী বের করা সম্ভব?যেহেতু হাই-প্রোফাইল মামলা, তাই পাবলিককে দেখানোর জন্য একটা বলির পাঁঠা দরকার ছিলো। গরীব মানুষ, তার ওপর হাই-প্রোফাইল কেস তাই বছরের পর বছর তার জামিনও হয় নাই।আজ ১৪ বছর পর নতুন টাস্কফোর্স এসে বলতেছে, এই খু*-এরর সাথে এনামুলের কোনো সম্পর্কই নাই! ইভেন সাগর-রুনির পরিবারও বলতেছে তাকে ছেড়ে দেওয়া হোক।কিন্তু ছেড়ে দিলেই কি সব ঠিক হয়ে যাবে? জেলের ভেতর বছরের পর বছর নির্মম মানসিক আর শারীরিক অ**চার সহ্য করতে করতে মানুষটা এখন মেন্টালি বিকারগ্রস্ত! আলাদা সেলে রেখে তার চিকিৎসা চলছে। একটা আস্ত জ্যান্ত মানুষকে সিস্টেম কীভাবে তিলে তিলে পাগল বানিয়ে দিলো, ভাবা যায়?তার এই হারিয়ে যাওয়া ১৪টা বছর, তার ভেঙে যাওয়া মানসিক স্বাস্থ্য আর তার পরিবারের এই অবর্ণনীয় অভাব-অনটনের দায় এখন কে নিবে? রাষ্ট্র? নাকি সেই তদন্তকারী কর্মকর্তারা যারা স্রেফ ক্রেডিট নেওয়ার জন্য একটা নিরীহ গরীব মানুষের জীবনটা ছারখার করে দিলো?এই অবিচারের বিচার করবে কে? একটা নির্দোষ মানুষের জীবন ধ্বংসের মূল্য রাষ্ট্র কি কোনোদিন শোধ করবে???

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *